top of page

*#গম্ভীরালীলায়_মহাপ্রভু !* *(#পর্ব_২০)*


*#গম্ভীরালীলায়_মহাপ্রভু !*


*(#পর্ব_২০)*


#মহাপ্রভু_প্রতিদিন_সিদ্ধ

বকুল তলায় হরিদাস মিলনের পর গম্ভীরায় ফিরে বৈষ্ণব মিলন উপলক্ষ্যে জনে জনে আলিঙ্গন,কুশলবার্তা ও পদধুলি দান, মধ্যাহ্নে সমুদ্র স্নান ও কোন ভাগ্যবান বৈষ্ণব গৃহে ভিক্ষা সমাপন করতেন ৷ অপরাহ্নে পুনরায় বৈষ্ণব মিলন ও কৃষ্ণকথা আস্বাদন করতেন ৷ তিনি নবাগত ভক্তবৃন্দের থাকা-খাওয়ার সুব্যবস্থা কার্যও করতেন ৷

গম্ভীরালীলায় প্রথম দিকে সাধারণতঃ এইভাবে ভক্তসঙ্গ করতে করতে মহাপ্রভুর দিবাভাগটি কাটত ৷

#গম্ভীরায়_রাত্রির গভীরতার সঙ্গে সঙ্গে মহাপ্রভুর প্রাণও গভীর হতে গভীরতর প্রদেশে উপনীত হয়ে মহাপ্রভুকে আরও তন্ময় করে দিত ৷ একদিন মহাপ্রভুর অর্দ্ধবাহ্য দশা ঘটলে তিনি এরূপ প্রলাপ করতে লাগলেন—

"#ক্ক_নন্দ_কুল_চন্দ্রমাঃ

ক্ক শিখি চন্দ্রিকালঙ্কৃতিঃ ,

ক্ক মন্দ মুরলী রবঃ

ক্কনুসুরেন্দ্র নীল দ্যুতিঃ ৷

ক্ক রাসরসতাণ্ডবী

ক্ক সখী জীব রক্ষৌষধি ,

নিধির্ম্মম সুহৃত্তম ক্কতব হন্ত হাধিগ্বিধি ॥"

#এটির_ভাবার্থ_এরূপ—

#সখি ! নন্দকুলচন্দ্রমা কৈ ? শিখি চন্দ্রিকা অর্থাৎ ময়ূরপুচ্ছ যাঁহার অলঙ্কার , তিনি কৈ ? মন্দ মুরলী রব যাঁহার , তিনি কৈ ? ইন্দ্রনীলদ্যুতি যাঁহার , তিনি কৈ ? রাস রসে যিনি নৃত্যকারি , তিনি কৈ ? আমার প্রাণ রক্ষার যিনি মহৌষধি , তিনি কৈ ? আমার নিধি কৈ ? আমার সুহৃদুত্তম কৈ ? হে বিধাতঃ! তোমাকে ধিক্ ॥

#এদিকে_বহিরাঙ্গনে বসে গোবিন্দ চোখের জলে প্রভুর মুখ আর দেখতে পেতেন না ৷ গোবিন্দ শুধু দেখতেন—প্রদীপের আলো-আঁধারিতে বৃন্দাবনের কোন কুঞ্জ মধ্যে নিশি জাগরিতা কৃষ্ণবিরহিণী রাধাঠাকুরাণী তাঁর অতীব অন্তরঙ্গা দুই সখী ললিতা বিশাখার গলা জড়িয়ে ধরে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদছেন আর বলছেন—

"#কাঁহা_করু ! #কাঁহা_যাঙ্ !

#কাঁহা_গেলে_কৃষ্ণ_পাঙ্ ৷"


*(#জয়_মহাপ্রভু)*

0 views0 comments

Comments


Be Inspired
bottom of page