top of page

গৌড়ীয় সম্প্রদায়ের বিপর্যয়

Updated: Sep 17, 2020





আমাদের পূর্বাচার্য্য গণের সিদ্ধান্ত এটাই প্রথমে সকলকে শাস্ত্রাদি অবশ্যই অধ্যায়ন করতে হবে যদি সেটা না করা হয় তবে তাকে কৃপাশক্তির দ্বারা হলেও সেই বিদ্যাকে অর্জন করতে হবে নইলে সে ব্যক্তি আচার্য্য পদে আসীন হতে পারবে না ৷ শংকরাচার্য পরম্পরা বহুপূর্বের হলেও আজও তাদের নিকট সকল গ্রন্থাবলী বিদ্যামান,তাদের মাঝে প্রচুর বিদ্বান আছে, যারা সকলেই শ্রেষ্ঠ ৷

কিন্তু দুঃখের বিষয় আমাদের গৌড়ীয় সম্প্রদায় আজ শিক্ষা হতে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে ৷ আজকাল আচার্য্য তাদের শিষ্যকে বলে পড়াশুনা করবে না এসবের প্রয়োজন নেই ৷

কথাটা কি ঠিক??? কখনই না আমাদের সনাতন গোস্বামীপাদ প্রথমে লঘুহরিনামামৃত ব্যাকরণ লিখেছেন এবং টোল ব্যবস্থা আরম্ভ করান যেখানে বৈষ্ণবদের শাস্ত্রাদি পাঠ করানো হতে পড়ানো হত ৷


পরবর্তীতে জীব গোস্বামী পাদ নিজে লঘুহরিনামামৃতকে বিস্তারিত করে শ্রীহরিনামামৃত নামক ব্যাকরণ লিখেছেন ৷ যেটির একামাত্র উদ্দেশ হল শাস্ত্রাদি অধ্যায়ন,ভজন সম্বন্ধে জানা এবং শাস্ত্রাদি সম্বন্ধে পরিপূর্ণ জ্ঞান ৷ তিনি টোল স্থাপন করে সমস্ত বৈষ্ণবদের পড়িয়েছেন এবং নিজে বহুবিধ শাস্ত্র লিখেছেন আমাদের সুবিধার জন্য ,পরবর্তীতে এই শ্রোত তথা ধারা চলতে চলতে বলদেব বিদ্যাভূষণ এবং আরো কয়েক পিড়ি খুব সুন্দর ভাবে পরিচালিত হলেও ধীরে ধীরে শিক্ষার ব্যবস্থা তথা টোল আদি সব সমূলে বিনষ্ট হয়েছে এবং বৈষ্ণবসমাজ হতে শিক্ষা প্রায় যায় যায় অবস্থা ৷ গ্রন্থের প্রচুর অভাব গৌড়ীয়দের বর্তমানে ৷ না তো সেগুলির তেমন প্রকাশন হচ্ছে ,না তেমন কেউ পড়তে আগ্রহী এবং এর ফলে ধীরে ধীরে অনর্থ হচ্ছে ৷ শাস্ত্রাদি নিজে নিজে পড়ে নিজেই এখন পণ্ডিতগিরি করছে, নিজেই দিচ্ছে সিদ্ধান্ত, যার জন্য সমাজে আরোও বিকৃতি দেখা দিচ্ছে ৷ কারন না পড়লে সঠিক কথা জানবে কোথা থেকে?

আর না জানলে উল্টাপাল্টা বলবে এটা স্বাভাবিক আর নিজে পড়লেও সেগুলির সঠিক অর্থ সে বুঝবে না তাইতো মহাপ্রভু বললেন -- ভাগবত পড় গিয়া বৈষ্ণব স্থানে ৷ ইহার তাৎপর্য হল ভাগবতাদি শাস্ত্র নিজে পড়লে কখনই সঠিক বুঝবে না অর্থ করতে গিয়ে অনর্থ হবে তাই আচার্য্য যিনি পূর্বে পরম্পরানুসারে পড়েছেন তার কাছে পড়তে বলেছেন, এমন কোন ব্যক্তির কাছে পড়তে বলেননি যিনি নিজে নিজে স্বয়মাপণ্ডিত হয়েছেন ৷

মহাপ্রভুর বাক্যের কিরূপ বিরূপ অর্থ আজকাল করে চলেছে একদল সমাজ, সেটা বলার বাইরে, পণ্ডিত, কুলিন বড়ই অভিমানী তাদরে নাকি ভগবৎ প্রাপ্তি হয়না ৷ এখানে পণ্ডিত বলতে নাস্তিক তথা স্মার্তপণ্ডিতদের কথা বলা হয়েছে বৈষ্ণবপণ্ডিতদের কথা বলা হয়নি ৷ শ্রীজীব গোস্বামীপাদ নিজের ব্যাকরণের পরিশেষে প্রতিজ্ঞা করেছেন যারা ব্যাকরণাদি শাস্ত্রাধ্যয়ন করবে এই জগত ও পরজগতে সেই গোপাল দাসকে ( হরিরদাসকে) আমি নিজে হরির নিকট প্রেরণ করব এবং তার ভগবৎ প্রাপ্তি হবেই 100% ৷ অতএব কেউ যদি বলে যে পণ্ডিতের ভগবৎ প্রাপ্তি হয়না সে একটা মূর্খ ভিন্ন কিছু না ৷ একবার ভাল করে দেখেনিন মহাপ্রভুর পার্ষদগনকে, তাদের সকলেই ছিলেন দিগ্বজ বিদগ্ধ পণ্ডিত কেউ ন্যায়শাস্ত্রে কেই বৈশেষিক,কেউ বেদান্তে কেউ বা অদ্বৈত,কেউ তর্কে,কেই ব্যাকরণে সকলেই ছিলেন ভক্তিবাদে প্রতিষ্ঠিত ৷ তারা সকলে কি ভগবৎ প্রাপ্তি করেনি? তবে তারা কেন অধ্যায়ন করলেন? কেন শাস্ত্রাদি পড়লেন? কেন রচনা করলেন এত গ্রন্থাবলি? যদি তারা গ্রন্থ রচনা না করত আমরা কি জানতে পারতাম ভজন সম্বন্ধে? বুঝতে পারতাম? মহাপ্রভু কে জানতে পারতাম? কখনই পারতাম না কিন্তু আজকালের কিছু অল্পজ্ঞ ব্যক্তি শিক্ষাকে দুচোখে দেখতে পারেনা ৷ তারা কাদের ফলোয়ার বলতে পারেন??? আমাদের গোস্বামীগণ হতে শুরু কর যত আচার্য্য হয়েছেন সকলেই বড় বড় বিদ্বান ছিলেন এবং সকলে ভজনশীল ছিলেন ৷ আজ যদি তারা না থাকতেন গৌড়ীয়গণ আজ কখনই সমাজে ঠাই পেত না ৷ আজ আমরা তাদের ভূলে গেছি, তাদের সিদ্ধান্তকে ভূলে নিজেদের মন মত চলছি, তাদের কথা বলিনা তাদের কথামত চলিনা তাদের সিদ্ধান্তও মানিনা ৷ বলি তাদের সিদ্ধান্ত না মেনে নিজ নিজ মতানুসারে যারা চলে তাদের গোস্বামাগণ উৎপাত বলে উল্লেখ করেছেন, বলেছেন যদিও সে একান্ত ভক্ত হয় তবুও সে উৎপাত ৷ ভগবান তাকে কখনই স্বীকার করেন না ৷


আজ ভক্তি সম্বন্ধে, জানতে চান? ভক্তিরসামৃতসিন্ধুগ্রন্থ না পড়ে কোথা থেকে জানবেন? রাগ মার্গের সম্বন্ধে জানতে চান? উজ্জ্বলনীলমণি পড়তে হবে ৷ ভাগবত সম্বন্ধে জানতে চান গোস্বামীগণের টীকা পড়তে হবে নইলে বুঝবেন উল্টো ৷ আর এসকল কিছুই সংস্কৃতিতে তবে ভাবুন সংস্কৃত জ্ঞানভিন্ন সে কিভাবে শাস্ত্রাদির অধ্যায়ন না করে সমস্ত বিষয়কে জেনে গেল বা সে বিষয়ে পরিপক্ক হল?

যদি বলেন ভজনের দ্বারা তবে জীবগোস্বামীপাদ বলেছেন পড়াশুনা তথা পরম্পরানুসারে অধ্যায়ন করে ভজন করলেই প্রকৃতভাবে ভগবৎ তত্ব জানা যায় পূর্ণরূপে ৷ আর অপরটি হল তীব্রভজনের দ্বারা জানা যায় যেটি ( এককোটি বৈষ্ণবের মধ্যে একজনের দ্বারা সম্ভব) তাই তিনি বলেছেন পরম্পরানুসারে শাস্ত্রাদি অধ্যায়ন করতে ৷ তিনি বলেছেন যে ভগবৎ তত্বই যিনি জানতে পারেন নি তিনি প্রেমাদি লাভ করতে পারনে না বা কৃষ্ণতত্বও জানতেও পারেন না, রাগ মার্গের ভজন সম্বন্ধে তার জ্ঞান হওয়ার প্রশ্নই উঠেনা ৷

তবে আজ কেন সেই গোস্বামীদের সিদ্ধান্তকে মানা হচ্ছে না? কেন শিষ্যকে পড়ানো হচ্ছেনা বা পড়তে দিচ্ছেনা কি ভয় তাদের?? সত্য জানলে হয়ত গুরুনিষ্ঠা চলে যাবে? ?? যিনি আচার্য্য তিনি সবকিছুর জ্ঞাতা হবেন ,বেদ বিরুদ্ধ কথা বলবেন না,বা সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কোন মতবাদ দিবে না, নিজে বেদের বিরুদ্ধাচারণ করবে না ৷ বেদে যা নিষেধ আছে সেটাকে সে করার অনুমতি দিতে পারবে না ৷ কেবল বেদ নয় পুরাণ,ইতিহাস,পাঞ্চরাত্র, ইত্যাদি শাস্ত্রকে উলঙ্ঘন তিনি যদি করে তার বিরুদ্ধে সিদ্ধান্ত দেন তবে সেটা কখনঅ গ্রননযোগ্য হবেনা ৷ সেটা কুমার্গ তথা উৎপাত বলা হয়েছে শাস্ত্রে ৷

#মহাপ্রভুর পার্ষদ্ শ্রীনরহরি সরকার তার #ভজনামৃতে বলেছেন, যে গুরু যদি দূরাভিমানী হয়ে শাস্ত্রের অবজ্ঞা করে নিজের মতবাদ প্রতিষ্ঠা করে এবং সেই সমস্ত অনাচার করতে বলে তবে তদ্গুরু তৎক্ষণাৎ পরিত্যাগ করিবে ৷ গুরু যদি নিজেকে কৃষ্ণসম মনে করে নিজেই শাস্ত্রবিরুদ্ধ বাক্য বলে ও নিজেকে কৃষ্ণসম মনে করে বেদাদি শাস্ত্রের উপরেও কথা বলে তবে সে ত্যাজ্য, সন্নাসী হয়ে স্ত্রীসঙ্গাদি করে বা নিজের ইচ্ছামত কার্য করে তবেও সে ত্যাজ্য ৷এমন গুরু পরিত্যাগে কোন অপরাধ নেই ৷ এই সমস্ত গুরু বারাংবার পরিত্যাজ্য বলে তিনি উল্লেখ করেছেন ৷

#মহাপ্রভুর এই প্রচারিত ধারায় বহু গ্রন্থারাজি বিদ্যামান আছে যেগুলি পূর্বাচার্য্যরা লিখেছেন, সংগ্রহ করেছেন, আজ সেগুলি বিলুপ্তপ্রায় ৷ কেন হচ্ছে এমনটি? এর দায়ভার কাদের? কাদের উচিৎ এগুলি সংরক্ষণের?


আজ গৌড়ীয়দের নিজস্ব ভাগবতরে টীকাদি নেই,নেই গীতারটীকা,নেই বেদান্তভাষ্য,নেই মূলভূত ভক্তিরসামৃতসিন্ধু উজ্জ্বলনীলমণি নেই গৌড়ীয় অভিধান,নেই আরো শতাধিক গ্রন্থ যেগুলি পঠন ভিন্ন কখনই ভজন সম্বন্ধে জানা যাবেনা আর না জানলে ভজন কি করবে??????

আজ নিজে নিজে ঘরে দুই একখান নব্য লেখকের বই পড়েই উঠে যাচ্ছে ব্যাপপীঠে এবং তর্ক করছে শাস্ত্রজ্ঞ ব্যক্তির সহিত ৷ যাদের এখনো নার্সারী ক্লাসের ধারনা হয়নি সেই এখন হয়ে গেছে বিরাট আচার্য্য ৷ মহিলাদের ব্যাসপীঠে বসিয়ে কথা করাচ্ছে, 10 বছরের ছেলে সেও পাঠ করছে ৷ একবারও ভেবেছেন তারা কতটুকু অধিকারী? তাদের মধ্যে আপনার মধ্যে কোন ভেদ আছে কি?যেমন আপনিও আচার্য পরম্পরায় পড়েনি তিনিও পড়েনি কিন্তু তিনি ঐ নব্য বই দেখে পড়ে আপনাদের কেবল উপস্থাপন করছে আর আপনার তার বাহবা দিচ্ছেন এতে সে নিজেকে বিরাট কিছু ভেবে নিচ্ছে এবং কদিন পর বিরাট বেশাদি ধারনকরে নিজেকে বিখ্যাত বলে জাহির করাতে চাইছে যা হতে কেবল উৎপাতই সৃষ্টি হচ্ছে ৷ একবারও কি ভেবেছেন মহাপ্রভুর বাক্য? ভাগবত পড় গিয়া বৈষ্ণবের নিকটে??? যদি সে কারো কাছে পড়েই নি তবে কি করে সে আপনাদের বোঝাবে বা সঠিক কথা বলবে???

#একবার ভাবুন জড়জগতের বিদ্যা অর্জন করতে গেলেই কত পরিশ্রম করতে হয় সেই ছোটবেলা নার্সারী হতে স্কুল যেতে হয়, প্রাইভেট পড়তে হয় তার পর পরীক্ষা দিয়ে পাস করতে হয় ৷ যখন একটু বড় হবেন তখন সাইন্স,আর্টস,কমার্স আলাদা বিষয় পড়তে হয় সকল বিষয়ের জন্য আলাদা প্রাইভেট পড়তে হয় ৷ বাজারের গাইড বা মূল বই নিজে নিজে পড়ে কি সব বুঝে নেন আপনারা? যদি বুঝে নেন তবে প্রাইভেট কেন পড়েন?? স্কুলে কেন যান সেখানে টিচার এর কাছে কেন পড়েন?

তবে ভাবুন জাগতিক বিদ্যা অর্জন করতে যেয়ে এত পরিশ্রম আর পারমার্থিক বিদ্যাকি অতই সস্তা? যে নিজে নিজে ধর্মগ্রন্থ কিনে ঘরে বসে পড়লেই সেটা বুঝতে পারবেন? কখনই না আপনি সাধারন পাঠের জন্যই এত প্রাইভেট, বা সরকারী স্কুলে টিচার এর কাছে পড়েছেন আর পারমার্থিকের সময় পারমার্থিক বিষয়ে অভিজ্ঞ সেই সমস্ত শিক্ষক ( আচার্যের) নিকট না পড়েই সে বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করে যাবেন? ??

বলিহারী যাই বাপু !!! আপনারা পারেনও বটে আর কত সমাজকে বোকা বানাবেন ? আর সমাজের লোকও বোকা হচ্ছে এদের দ্বারাই ৷ বাহ্যিক বেশ দেখে আকৃষ্ট হচ্ছে আর লুটিয়ে পড়ছে তার চরণে ৷৷ #মহাপ্রভুর পার্ষদ চৈতন্যদাস তার চৈতন্যকারিকা তে বলেছেন বেশ দেখেই কলিতে সাধুর বিচার হবে অল্পজ্ঞ লোক, শাস্ত্রবিরোধি কথাবার্তা বলবে যারা সহজে নিয়ম পালনের বিধান দেবে তারাই হবে বিখ্যাত সিদ্ধ আচার্য ৷


তাই কখনো আত্মচিন্তন করুন,ভাবুন বিষয়গুলি ৷

#যাদের শিক্ষা নেই তথা আচার্য্য পরম্পরায় ভাগবতাদি শাস্ত্রের যারা অধ্যায়ন করেনি বা শ্রবণ করেনি তারাই কেবল শাস্ত্রীয় পড়াশুনার বিরোধিতা করে এবং উল্টোপাল্টা ভুংচুং কথাবার্তা বলে ৷

#নিজেদের কুকৃত্য লুকাতে এই হেন উপায় তারা অবলম্বন করে থাকে ৷ এগুলি আমার নয় মহাপ্রভুর পার্ষদ চৈতন্য দাসের কথা ৷

সর্বশেষে বলব মহাপ্রভুর যিনি সাক্ষাৎ বিদগ্ধ পণ্ডিত ছিলেন এবং তার সমস্ত পার্ষদবর্গও ছিলেন বিদ্বান ভজনিষ্ঠ,বৈরাগ্যশীল ৷ তদনুগত বলদেব বিদ্যাভূষণাদি গোস্বামীবর্গ ছিলেন প্রকৃত বিদ্বান,ভজননিষ্ঠ,বৈরাগ্যবান ৷ তাদের সিদ্ধান্তই আমাদের ফলো করা উচিৎ পরবর্তীতে কে কি বলেছে সেগুলি তেমন গ্রহনযোগ্য নয় ৷ গোস্বামীবাক্যের বিরোধী কথাবার্তা কখনই স্বীকার্য্য নয় যদি কেই গুরুপদে আসীন হয়ে এমন বলে তবে ভাববেন তার এটা দূরাভিমান ৷

জয় শ্রীরাধে,জয় শ্রীষড়গোস্বামীবৃন্দ ও তদনুগত সমস্তাচার্য্য বর্গ ,ব্রহ্মমধ্বগৌড়ীয় সম্প্রদায়ের জয়পতাকা নিরন্তর উড়িতে থাকিবে, বারংবার মহাপ্রভুর প্রেরণ করিবেন কাউকে না কাউকে ৷ আমাদের #সর্বপূজ্যগৌড়ীয়সম্প্রাদয়কুলতিলক,গৌড়ীয়জয়পতাকাকে যিনি সর্বত্র উড়াইয়াছেন, যিনি গৌড়ীয় পরম্পরার শ্রেষ্ঠাচার্য্য সেই #শ্রীরামনারায়ণ বিদ্যারত্নের চরণে সকলকিছুই সমর্পণ করিলাম ৷ তার কৃপায় আজি সমস্ত গ্রন্থরাজিকে আমরা পাইতেছি ৷

#আর তার গ্রন্থের লিখিত অনেক কথায় আজ পোষ্টে তুলিয়া ধরেছি ৷ তার আক্ষেপ কেও তুলিয়া ধরেছি ৷ জয় হওক সেই সমস্ত অতন্দ্রপ্রহরীদের যারা গৌড়ীয়ের ঐতিহ্যে তথা গ্রন্থরাজি নির্মাণ করিয়াছেন এবং সংরক্ষণ করিয়াছেন ৷


জয় শ্রীরাধে সকলকে প্রণাম ৷


122 views0 comments

Σχόλια


Be Inspired
bottom of page