top of page

"(#পর্ব_অাট_পোষ্ট_২৩)"


"(#পর্ব_অাট_পোষ্ট_২৩)"


#চৈতন্যভাগবত_ও_চৈতন্যচরিতামৃতে_প্রতি অধ্যায়ের প্রারম্ভে গৌরচন্দ্রের নাম নেওয়ার রীতি লক্ষ্য করা যায় ৷ সেসময়কালে বৈষ্ণবমহাজনদের মধ্যে গৌরচন্দ্রকে প্রণাম না করে কোন গ্রন্থের অারম্ভ করবার প্রথা ছিল না ৷ কিন্তু কীর্তনে গৌরচন্দ্রিকা শুধুমাত্র গৌরচন্দ্রকে প্রণাম শুধু নয় ? গৌরচন্দ্র বলতে যা বুঝি তা হল, শ্রীরাধাকৃষ্ণের কোন লীলা গান করা হলে সেই লীলার ভাবোচিত গৌরাঙ্গবিষয়ক গান করা ৷ এই প্রথার সর্বপ্রথম দেখতে পাওয়া যায় খেতরীর উৎসবের বর্ণনায়, তখনও পালাক্রমে গান করবার রীতি প্রচলিত হয় নাই ৷ কারণ খেতরীর মহোৎসবের কথা নরোত্তমবিলাসে দেখা যায়;-

"কেহ হোলিযাত্রা পদ্য পঢ়য়ে উচ্ছায় ৷ কেহ নবদ্বীপ বৃন্দাবন লীলা কেহ গায়॥(নরোত্তমবিলাস)

এর থেকে বুঝা যায় যে গান করবার প্রণালী তখনও সুনিয়মিত হয় নাই ৷

খেতরীর উৎসবে শ্রীনরোত্তম ঠাকুরের দ্বারা যে প্রথা চালু হল, তা পরবর্তীকালে নানা গায়ক মহাজন দ্বারা অনুসৃত হয়ে অাজ বর্তমানে পৌঁছল ৷ অাগে অনেক বৈষ্ণব মহাজন গৌরলীলা বিষয়ক পদ রচনা করেছিলেন ৷ সেগুলি যথানিয়মে সন্নিবেশিত করে পালা সাজানো হতে থাকল ৷ ঐদিন খেতরীতেই নরোত্তম ঠাকুর অারতির পরে 'বাসুঘোষের' পদ গেয়ে গৌরচন্দ্রিকা করে ছিলেন একথা নরোত্তমবিলাসে জানা যায়;-

"সখি হে,ওই দেখ গোরা কলেবরে ৷"

এই অনুরাগের পদটি নরোত্তমঠাকুর গেয়েছিলেন ৷ খেতরীতে যা হল তা সমস্ত বৈষ্ণব জগৎ অানন্দের সঙ্গে গ্রহণ করল ৷ সেই খেতরীর মহোৎসব প্রচারের দিক থেকে এক নব সূচনা ৷ মহাপ্রভুর প্রেমধর্ম, মহাপ্রভুর সংকীর্তন খেতরীর উৎসব থেকে দিকে দিকে ছড়িয়ে পড়ল ৷ নবদ্বীপে যে ধর্মের বীজ উৎপন্ন হয়েছিল এবং বৃন্দাবনের গোস্বামীপার্ষদগণ যে ধর্মের ভিত্তি সুদৃঢ়রূপে প্রতিষ্ঠিত করলেন, খেতরীর বৈষ্ণব সন্মিলন থেকে তা অাপামর জনসাধারণের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ল ৷ #জয়_শ্রীগৌরহরি"

* * *

* *

*

0 views0 comments

Comments


Be Inspired
bottom of page