top of page

"(#পর্ব_নয়_পোষ্টনং২৯)"

"(#পর্ব_নয়_পোষ্টনং২৯)"


"এক মহাপ্রভু অার প্রভু দুইজন ৷

দুই প্রভু সেবে মহাপ্রভুর চরণ॥"


একজন মহাপ্রভু তিনি অামাদের শ্রীগৌরাঙ্গসুন্দর,নবদ্বীপে তিনি বিখ্যাত,পরে তিনি শ্রীকৃষ্ণচৈতন্যমহাপ্রভু নামে পরিচিত হন ৷ অার শ্রীনিত্যানন্দপ্রভু ও শ্রীঅদ্বৈতপ্রভু তাঁরা হচ্ছেন মহাপ্রভুর সেবক ৷

মহাপ্রভুর নাম-প্রেম বিতরণ শ্রীনিত্যানন্দপ্রভুর দ্বারাই সাধিত হয়েছে ৷ শ্রীনিত্যানন্দপ্রভু কৃপা করে পরিপূর্ণ কৃষ্ণতত্ত্ব সকলের কাছে বিতরণ করেছেন ৷ যারা পতিত অধম, তাদের একমাত্র ভরসা শ্রীনিত্যানন্দপ্রভুর কৃপা ৷ তাঁরই কৃপায় উদ্ধার হয়েছে জগাই মাধাই, এটি শ্রীনিত্যানন্দপ্রভুর অলংকার ৷ এছাড়াও নিত্যানন্দের গুণ ও কৃপার বিষয়ে নিজের সম্পর্কেও কবিরাজ গোস্বামী তাঁর গ্রন্থে লিখেছেন;—

"নিত্যানন্দ গুণে লেখায় উন্মত্ত করিয়া ৷ নিত্যানন্দ-প্রভুর গুণ-মহিমা অপার॥"(চৈ,চ,১/৫/২০৯)

"জগাই মাধাই হৈতে মুঞি সে পাপিষ্ট ৷ পুরীষের কীট হইতে মুঞি সে লঘিষ্ট॥ মোর নাম শুনে যেই তার পুণ্যক্ষয় ৷ মোর নাম লয়ে যেই তার পাপ হয়॥ এমন নির্ঘৃণ মোরে কেবা কৃপা করে ৷ এক নিত্যানন্দ বিনু জগৎ-ভিতরে॥ প্রেমে মত্ত নিত্যানন্দ কৃপা অবতার ৷ উত্তম অধম কিছু না করে বিচার॥ যে অাগে পড়য়ে তারে করয়ে নিস্তার ৷ অতএব নিস্তারিলা মো-হেন দুরাচার॥"

(চৈ,চ, ১/৫/১৮৩-১৮৭)

শ্রীনরোত্তম দাসঠাকুরের "নিতাইপদ কমল" প্রার্থনার গাণটি বুঝতে চেষ্টা করি তাহলেই বুঝতে পারব নিত্যানন্দপ্রভুর মহিমা;—

"নিতাই পদকমল

কোটীচন্দ্র সুশীতল

যে ছায়ায় জগত জুড়ায় ৷

হেন নিতাই বিনে ভাই

রাধাকৃষ্ণ পাইতে নাই

দৃঢ় করি ধর নিতাইর পায়॥


সে সম্বন্ধ নাহি যার

বৃথা জন্ম গেল তার

সেই পশু বড় দুরাচার ৷

নিতাই না বলিল মুখে

মজিল সংসার সুখে

বিদ্যা-কুলে কি করিবে তার॥


অহংকারে মত্ত হইয়া

নিতাই পদ পাসরিয়া

অসত্যেরে সত্য করি মানি ৷

নিতাইর করুণা হবে

ব্রজে রাধা কৃষ্ণ পাবে

ধর নিতাইর চরণ দুখানি॥


নিতাইর চরণ সত্য

তাঁহার সেবক নিত্য

নিতাই পদ সদা কর অাশ ৷

নরোত্তম বড় দুঃখী

নিতাই মোরে কর সুখী

রাখ রাঙ্গা চরণের পাশ॥"

শ্রীনিত্যানন্দপ্রভুর কাছে এটিই হচ্ছে শ্রীনরোত্তম দাস ঠাকুরের প্রার্থনা ৷ শ্রীনিত্যানন্দপ্রভুর মূল তত্ত্ব সুন্দরভাবে তিনি সংক্ষিপ্তাকারে বর্ণন করেছেন ৷

জয় নিতাই ৷

"(#পর্ব_নয়_পোষ্টনং২৯)"


"এক মহাপ্রভু অার প্রভু দুইজন ৷

দুই প্রভু সেবে মহাপ্রভুর চরণ॥"


একজন মহাপ্রভু তিনি অামাদের শ্রীগৌরাঙ্গসুন্দর,নবদ্বীপে তিনি বিখ্যাত,পরে তিনি শ্রীকৃষ্ণচৈতন্যমহাপ্রভু নামে পরিচিত হন ৷ অার শ্রীনিত্যানন্দপ্রভু ও শ্রীঅদ্বৈতপ্রভু তাঁরা হচ্ছেন মহাপ্রভুর সেবক ৷

মহাপ্রভুর নাম-প্রেম বিতরণ শ্রীনিত্যানন্দপ্রভুর দ্বারাই সাধিত হয়েছে ৷ শ্রীনিত্যানন্দপ্রভু কৃপা করে পরিপূর্ণ কৃষ্ণতত্ত্ব সকলের কাছে বিতরণ করেছেন ৷ যারা পতিত অধম, তাদের একমাত্র ভরসা শ্রীনিত্যানন্দপ্রভুর কৃপা ৷ তাঁরই কৃপায় উদ্ধার হয়েছে জগাই মাধাই, এটি শ্রীনিত্যানন্দপ্রভুর অলংকার ৷ এছাড়াও নিত্যানন্দের গুণ ও কৃপার বিষয়ে নিজের সম্পর্কেও কবিরাজ গোস্বামী তাঁর গ্রন্থে লিখেছেন;—

"নিত্যানন্দ গুণে লেখায় উন্মত্ত করিয়া ৷ নিত্যানন্দ-প্রভুর গুণ-মহিমা অপার॥"(চৈ,চ,১/৫/২০৯)

"জগাই মাধাই হৈতে মুঞি সে পাপিষ্ট ৷ পুরীষের কীট হইতে মুঞি সে লঘিষ্ট॥ মোর নাম শুনে যেই তার পুণ্যক্ষয় ৷ মোর নাম লয়ে যেই তার পাপ হয়॥ এমন নির্ঘৃণ মোরে কেবা কৃপা করে ৷ এক নিত্যানন্দ বিনু জগৎ-ভিতরে॥ প্রেমে মত্ত নিত্যানন্দ কৃপা অবতার ৷ উত্তম অধম কিছু না করে বিচার॥ যে অাগে পড়য়ে তারে করয়ে নিস্তার ৷ অতএব নিস্তারিলা মো-হেন দুরাচার॥"

(চৈ,চ, ১/৫/১৮৩-১৮৭)

শ্রীনরোত্তম দাসঠাকুরের "নিতাইপদ কমল" প্রার্থনার গাণটি বুঝতে চেষ্টা করি তাহলেই বুঝতে পারব নিত্যানন্দপ্রভুর মহিমা;—

"নিতাই পদকমল

কোটীচন্দ্র সুশীতল

যে ছায়ায় জগত জুড়ায় ৷

হেন নিতাই বিনে ভাই

রাধাকৃষ্ণ পাইতে নাই

দৃঢ় করি ধর নিতাইর পায়॥


সে সম্বন্ধ নাহি যার

বৃথা জন্ম গেল তার

সেই পশু বড় দুরাচার ৷

নিতাই না বলিল মুখে

মজিল সংসার সুখে

বিদ্যা-কুলে কি করিবে তার॥


অহংকারে মত্ত হইয়া

নিতাই পদ পাসরিয়া

অসত্যেরে সত্য করি মানি ৷

নিতাইর করুণা হবে

ব্রজে রাধা কৃষ্ণ পাবে

ধর নিতাইর চরণ দুখানি॥


নিতাইর চরণ সত্য

তাঁহার সেবক নিত্য

নিতাই পদ সদা কর অাশ ৷

নরোত্তম বড় দুঃখী

নিতাই মোরে কর সুখী

রাখ রাঙ্গা চরণের পাশ॥"

শ্রীনিত্যানন্দপ্রভুর কাছে এটিই হচ্ছে শ্রীনরোত্তম দাস ঠাকুরের প্রার্থনা ৷ শ্রীনিত্যানন্দপ্রভুর মূল তত্ত্ব সুন্দরভাবে তিনি সংক্ষিপ্তাকারে বর্ণন করেছেন ৷

জয় নিতাই ৷

2 views0 comments

Comments


Be Inspired
bottom of page