top of page

*#রাধাভাবে_ভোরা_গোরা !* *(#পর্ব_২২চলবে)*


*#রাধাভাবে_ভোরা_গোরা !*

*(#পর্ব_২২)*


*#এদিকে_মধ্য_রাত্রি আকাশে পূর্ণিমার চাঁদ উঠেছে , মন্দমধুর বাতাস বইছে ,বংশীবটে মন ভোলানো বাঁশী বাজছে , যমুনা তীরের বনে-বনে মাতন লেগেছে,ব্যস্ত-ত্রস্ত হয়ে সখীরা প্রেমময়ী রাধিকার ঘুম ভাঙ্গাচ্ছেন* _


*"ওঠো, ওঠো, সখী ! নিদ্রা ভাঙ্গো , আখি মোছো, বাঁশী বাজছে চলো যাই*—

"#কি_করিব_কোথা_যাব_ সোয়াথ না হয় ৷

না যায় কঠিন প্রাণ কা বা লাগি রয় ॥ পিয়ার লাগিয়া হাম কোন্ দেশে যাব ৷ রজনী প্রভাত হৈলে কার মুখ চাব ॥

বন্ধু যাবে দূর দেশে মরিব আমি শোকে ৷ সাগরে ত্যজিব প্রাণ নাহি দেখে লোকে ॥ নহে ত পিয়া রে গলার

মালা যে করিয়া ৷ দেশে দেশে ভরমিব যোগিনী হইয়া ॥


বিদ্যাপতি কবি ইহ দুখ গাণ ৷

রাজা শিবসিংহ লছিমা পরমাণ॥

#ঠিক_এইভাব_ধারণ

করে মহাপ্রভু উঠে বসে অন্ধকারে গম্ভীরা কক্ষের দেওয়ালে আঁচর কাটতে লাগলেন, হাতড়িয়ে দরজা খুঁজতে লাগলেন ৷ "সমুদ্র কল্লোল যমুনার ডাক ভ্রম হতে লাগল, পুরীকে বৃন্দাবন বলে বিভ্রম হল, ওদিকে মোহনিয়া বাঁশী বেজেই চলল, সর্বনাশা বাঁশী মন-প্রাণ-হৃদয় উঘারিয়া দিতে লাগল৷" সখীরা সব কোথায় গেল বলে মহাপ্রভু মূহুর্মূহু—#হা_কৃষ্ণ ! প্রাণ কৃষ্ণ ! প্রাণবল্লভ ! বলে নয়ন জলে ভাসত লাগলেন ৷

#এইভাবে_গম্ভীরা_কক্ষে

অশ্রুর প্লাবন বয়ে যেত ৷ আর এইভাবেই মহাপ্রভুর সকরুণ আর্তিপূর্ণ প্রেমাশ্রুতে যে কতদিন গম্ভীরা গৃহ প্লাবিত হয়েছে তার ইয়ত্তা মিলবে না ৷

#কৃষ্ণ_বিরহের

এইরূপ মর্মভেদী বেদনার বহিঃপ্রকাশ মহাপ্রভু ভিন্ন আর কোথাও কোন অবতারে প্রকাশিত হয় নাই ৷ তাই বুঝি এই কলিযুগই ধন্য,কারণ এই #বিরহ_আর্তি শ্রবণ মাত্রই বর্হিমুখ জীবেরও শ্রীকৃষ্ণে প্রেমাঙ্কুর সম্ভব ৷

* * *

1 view0 comments

Comments


Be Inspired
bottom of page