top of page

*#রাধাভাবে_ভোরা_গোরা!* *(#পর্ব_২৮)* চলবে ৷


*#রাধাভাবে_ভোরা_গোরা!*


*(#পর্ব_২৮)* চলবে ৷




#শাস্ত্রীয়_আলোচনায় মূর্তিমতী হ্ণাদিনী-শক্তিরূপা শ্রীরাধাই যে মাদনাখ্য মহাভাবের আধার তা স্পষ্টরূপে জানা যায় ৷

শ্রীরাধার মাদনাখ্য মহাভাবকে সম্পূর্ণরূপে আয়ত্তাধীন রাখবার ক্ষমতা শুধুমাত্র শ্রীরাধারই আছে,অপর কারো নাই, এমনকি শ্রীকৃষ্ণ স্বয়ং ভগবান হলেও এইভাব তাঁর নাই ৷ এইরূপেই তিনি লীলা প্রকাশ করেছেন—

*#রাধা_পূর্ণশক্তি, কৃষ্ণ পূর্ণশক্তিমান্ ৷ দুই বস্তু ভেদ নাহি শাস্ত্র পরমাণ ॥ মৃগমদ তার গন্ধ, যৈছে অবিচ্ছেদ ৷ অগ্নি জ্বালাতে যৈছে নাহি কভু ভেদ॥"*

(চৈ:চ:-১/৪/৮২,৮৩)

#শ্রীরাধা

কৃষ্ণের হ্লাদিনী শক্তি ৷ আর শ্রীকৃষ্ণ হলেন সেই শক্তির অধিপতি শক্তিমান ৷ শ্রীরাধা পূর্ণশক্তি আর শ্রীকৃষ্ণ হলেন পূর্ণ শক্তিমান ৷ সুতরাং শ্রীরাধা ও শ্রীকৃষ্ণের মধ্যে সম্বন্ধ হল শক্তি ও শক্তিমানের সম্বন্ধ ৷ শক্তি ও শক্তিমানের অভেদহেতু শ্রীরাধা ও শ্রীকৃষ্ণে ভেদ নাই ৷ কস্তুরী ও তার গন্ধে যেমন ভেদ নাই, অগ্নিতে ও তার দাহিকা শক্তিতে যেমন ভেদ নাই, ঠিক তেমনি পূর্ণশক্তিমান শ্রীকৃষ্ণ ও পূর্ণশক্তি শ্রীরাধাতেও কোনো ভেদ নাই ৷

#এতে স্পষ্টই বুঝা যায়—স্বয়ং ভগবান শ্রীকৃষ্ণ যিনি,

তিনি যদিও পূর্ণশক্তিমান তথাপি লীলারস আস্বাদন করতে শ্রীরাধাতেই তাঁর পূর্ণ শক্তির প্রকাশ ৷ এই কারণে শ্রীকৃষ্ণ স্বয়ং ভগবান হলেও তাঁর পক্ষে শ্রীরাধার ভাবকে পরিপূর্ণরূপে আয়ত্তাধীন রাখা সম্ভব হয় না ৷ কারণ, জগৎমঙ্গল লীলার বহুস্থানে ভক্ত মনোরঞ্জনের জন্য তিনি পরাজিতের ভূমিকায় নিজেকে প্রকাশ করেন ৷

#এই_কারণেই_মনে_হয় মহাপ্রভু (শ্রীকৃষ্ণ) শ্রীরাধার ভাব গ্রহণ করে তদ্ভাবের আশ্রয় করলেও তাতে আশ্রয়ের পরিপূর্ণ ধর্ম ছিল না বলেই তিনি মাদনাখ্য মহাভাবের মহাবিক্রম সহ্য করিতে অক্ষমতা প্রকাশ করেছিলেন ৷ আর তাই মহাপ্রভুর দেহের অস্থিগ্রন্থি শিথিল হয়ে পড়েছিল ৷

#যেমনটি পূর্ণশক্তি শ্রীরাধার ক্ষেত্রে হয় নাই ৷ অর্থাৎ শ্রীকৃষ্ণ বিষয়ক মহাভাবের যে মহাপ্রলয় শ্রীরাধার দেহের উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছিল তা সহ্য করবার পূর্ণশক্তি শ্রীরাধার ছিল, বলে তাঁর দেহের অস্থিগ্রন্থি অনুপরিমাণেও শিথিলতা প্রাপ্ত হয় নাই, আর #মহাপ্রভুর(শ্রীকৃষ্ণের) সেই পূর্ণশক্তি ছিল না, দেখাইবার জন্যই মহাপ্রভুর অস্থি-গ্রন্থি শিথিল হয়ে পড়েছিল ৷

* * *

0 views0 comments

Comments


Be Inspired
bottom of page